সৌদির আরামকো ভবনে হামলায় ক্ষয়ক্ষতি, হতাহতের ঘটনা নেই
রিয়াদে সৌদি আরামকোর একটি প্রশাসনিক ভবনে হামলার চেষ্টায় ধ্বংসাবশেষ পড়ে সামান্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কেউ নিহত বা আহত হননি বলে জানিয়েছে দেশটির জ্বালানি মন্ত্রণালয়।
- আপলোড সময় : ০৮-১১-২০২৬ ০৯:১৫:৫০ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৮-১১-২০২৬ ০৯:১৫:৫০ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৯ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি আরামকোর একটি ভবনে হামলার চেষ্টা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির জ্বালানি মন্ত্রণালয়। ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের ছোড়া দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করার দাবি করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট। তবে সংবাদ সংস্থা এএফপিকে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, হামলায় ওই বহুতল ভবনটির ক্ষতি হয়েছে।
রোববার জ্বালানি মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, রিয়াদে সৌদি আরামকোর একটি প্রশাসনিক ভবনে হামলার চেষ্টা চালানো হয়েছে। এর ফলে ভবনের কিছু অংশ সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সৌভাগ্যবশত কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে কিং আবদুল্লাহ ফাইন্যান্সিয়াল ডিস্ট্রিক্টে (কেএএফডি) অবস্থিত আরামকো ভবনের কয়েক তলার কাচ ভেঙে গেছে এবং বাইরের দিকের বেশ ক্ষতি হয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা নিশ্চিত করেছেন। একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, তিনি একটি প্রজেক্টাইল (ক্ষেপণাস্ত্র বা গোলা) ভবনটিতে আঘাত হানতে দেখেছেন, তবে সেটি ঠিক কী ধরনের ছিল তা নিশ্চিত নন।
রোববার সকালে সামরিক জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে জানান, হুতিদের ছোড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়েছে। এ সময় রিয়াদে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। শনিবার গভীর রাতে রিয়াদে স্কুলগুলো খোলার ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই হামলার ঘটনা ঘটল। এর আগে হামলার কারণে বেশ কিছুদিন অনলাইনে ক্লাস চলছিল।
সম্প্রতি হুতিরা ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলের বিস্তীর্ণ এলাকা দখল করার পর থেকে প্রায় প্রতিদিনই সৌদি আরবের দিকে হামলা চালাচ্ছে। এর আগে ২০১৪ সালে হুতিরা ইয়েমেনের রাজধানী সানা দখল করলে পরের বছর সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট এই সংঘাতে জড়ায়। ২০২২ সালে দুই পক্ষের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি হলেও গত জুলাই মাসে তা ভেঙে যায়। এরপর থেকে হুতিরা সৌদি আরবের বিমানবন্দর, জ্বালানি অবকাঠামো ও সামরিক স্থাপনায় নিয়মিত হামলা চালিয়ে আসছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে আরামকোর বিভিন্ন ট্যাংকার, শোধনাগার এবং সদর দপ্তরেও তারা আঘাত হেনেছে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।