সেন্টমার্টিন থেকে ইঞ্জিন বিকল হয়ে ডুবে যাওয়া বোট থেকে ৭৬ জন উদ্ধার
সেন্টমার্টিনের অদূরে সমুদ্রে ইঞ্জিন বিকল হয়ে পানিতে ডুবতে থাকা কাঠের বোট থেকে ৭৬ জনকে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী; একই সঙ্গে মানব পাচারকারী চক্রের ১১ সদস্যকে আটক করা হয়েছে।
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ০২-১০-২০২৬ ১০:৩৩:২৬ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ০২-১০-২০২৬ ১০:৩৩:২৬ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৩৯৯ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
সমুদ্রপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে ইঞ্জিন বিকল হয়ে পানিতে ডুবতে থাকা একটি কাঠের বোট থেকে ৭৬ জনকে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। এ ঘটনায় মানব পাচারকারী চক্রের ১১ সদস্যকে আটক করা হয়েছে। বাকি ৬৫ জন মালয়েশিয়া যাওয়ার প্রলোভনে প্রতারণার শিকার বলে জানিয়েছে নৌবাহিনী।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে সেন্টমার্টিনের অদূরে নিয়মিত টহলের সময় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজ বানৌজা খালিদ বিন ওয়ালিদ এ অভিযান পরিচালনা করে।
নৌবাহিনীর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সেন্টমার্টিন লাইট হাউস থেকে প্রায় ৮১ মাইল দূরে মাছ ধরার কাজে নিয়োজিত এফভি ক্রিস্টাল-১ একটি ইঞ্জিন বিকল অবস্থায় ভাসমান কাঠের বোট দেখতে পায়। বোটে থাকা কয়েকজনের আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে তাৎক্ষণিকভাবে নৌবাহিনীকে খবর দেয়া হয়।
খবর পেয়ে টহলরত বানৌজা খালিদ বিন ওয়ালিদ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বোটটি উদ্ধার করে। এ সময় বোটটিতে পানি প্রবেশ করছিল। নৌবাহিনীর সদস্যরা দ্রুত পানি নিষ্কাশন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং বোটে থাকা ৭৬ জনকে নিরাপদে উদ্ধার করেন। পরে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা, খাবার ও প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা দেয়া হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ১১ জনকে মানব পাচারকারী চক্রের সদস্য হিসেবে শনাক্ত করে আটক করা হয়। অপর ৬৫ জন মালয়েশিয়া যাওয়ার প্রলোভনে প্রতারণার শিকার বলে জানা গেছে।
নৌবাহিনীর বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের অধিকাংশকে মানব পাচারকারী চক্রের সদস্যরা টেকনাফের দুর্গম এলাকায় আটকে রেখেছিল। পরে তাদের সমুদ্রপথে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর চেষ্টা করা হচ্ছিল।
নৌবাহিনী জানায়, বোটটির ইঞ্জিন ও পানি নিষ্কাশনের পাম্প বিকল হয়ে ভেতরে পানি প্রবেশ করায় যাত্রীদের জীবন চরম ঝুঁকির মধ্যে পড়ে। দ্রুত উদ্ধার অভিযান পরিচালনার ফলে সম্ভাব্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
আটক ১১ জন ও জব্দ করা বোটটি পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য টেকনাফ থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম চলছে। বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় মানব পাচার, চোরাচালানসহ সব ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে নৌবাহিনীর নিয়মিত টহল ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।