সৌদি আরবে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত পাকিস্তান ও তুরস্কের
সাম্প্রতিক আঞ্চলিক উত্তেজনা ও পবিত্র স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলার প্রেক্ষাপটে ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ বা মক্কা জোটের আওতায় সৌদি আরবে দ্রুত সেনা ও সামরিক সক্ষমতা মোতায়েন করতে সম্মত হয়েছে পাকিস্তান ও তুরস্ক।
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ০৬-১০-২০২৬ ০১:৩৯:৩৬ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৬-১০-২০২৬ ০১:৩৯:৩৬ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৯৭ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
সৌদি আরবে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান ও তুরস্ক। ‘মক্কা জোটের’ অংশ হিসেবে এসব সেনা দ্রুত মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছে তিন দেশ। খবর গালফ নিউজের।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
সংবাদমাধ্যমটি জানায়, সোমবার রিয়াদে তিন দেশের প্রতিনিধিরা জরুরি বৈঠক করেন। বৈঠকে সৌদি আরবে সাম্প্রতিক হামলার ঘটনা, বিশেষ করে পবিত্র নগরী মক্কা ও মদিনাকে লক্ষ্য করে চালানো হামলা নিয়ে আলোচনা হয়। তবে বিবৃতিতে ইরান-সমর্থিত হুথিদের নাম সরাসরি উল্লেখ করা হয়নি।
বৈঠক শেষে দেওয়া যৌথ বিবৃতিতে তিন দেশ জানায়, তারা ‘সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার বিরুদ্ধে যেকোনো হামলা বা হুমকির’ দৃঢ়ভাবে বিরোধিতা করে।
এ ছাড়া তারা ‘সম্মিলিত প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন অবিলম্বে শুরু এবং প্রয়োজনীয় সামরিক বাহিনী ও সক্ষমতা সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহণে’ সম্মত হয়েছে। একই সঙ্গে সৌদি আরবে এসব বাহিনী দ্রুত মোতায়েন নিশ্চিত করার কথাও জানানো হয়েছে।
তবে সৌদি আরবে মোতায়েন করা সেনারা ঠিক কী ধরনের দায়িত্ব পালন করবে, সে বিষয়ে বিবৃতিতে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের আগস্টে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ স্বাক্ষর করে। চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের কোনো একটি দেশ আক্রান্ত হলে অন্য দেশগুলো তার সহায়তায় এগিয়ে আসবে। এই চুক্তির মাধ্যমে ন্যাটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম সেনাবাহিনী তুরস্ক, মুসলিম বিশ্বের একমাত্র পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ পাকিস্তান এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্যতম প্রধান শক্তি সৌদি আরব একটি প্রতিরক্ষা জোটে যুক্ত হয়েছে।
ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধ জুলাইয়ে নতুন করে তীব্র হওয়ার পর থেকে সৌদি আরবের বিভিন্ন শহর, তেল স্থাপনা ও জাহাজ লক্ষ্য করে হুথিরা বারবার হামলা চালিয়েছে।
সেপ্টেম্বরে হুথিরা নতুন করে অভিযান শুরু করে ইয়েমেনের সৌদি-সমর্থিত সরকারের কাছ থেকে দেশটির বিস্তীর্ণ এলাকা দখল করে নেয়। সোমবার সৌদি আরবের সমর্থনে ওই সরকার পাল্টা অভিযান শুরু করেছে। দীর্ঘদিন ধরে হুথিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা অঞ্চলগুলো পুনর্দখলের লক্ষ্যেই এই অভিযান চালানো হচ্ছে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।