বিধি লঙ্ঘন করে তদবির নয়: পুলিশ সদস্যদের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ৭ নির্দেশনা
- আপলোড সময় : ২৬-০৭-২০২৫ ১০:২৭:০৫ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৬-০৭-২০২৫ ১০:২৭:০৫ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৪৭ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
পদোন্নতি ও অন্যান্য প্রশাসনিক বিষয়ে অপ্রয়োজনীয় তদবির থেকে পুলিশ সদস্যদের বিরত থাকতে জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়, যেখানে স্বাক্ষর করেন উপ-সচিব মো. মাহবুবুর রহমান।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ পুলিশের কিছু সদস্য অফিস চলাকালে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই কর্মস্থল ত্যাগ করে মন্ত্রণালয়ে এসে বিভিন্ন বিষয়ে তদবির করছেন। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে মন্ত্রণালয়ের স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিব্রত হচ্ছেন। এ ধরনের অনভিপ্রেত তদবির নিরুৎসাহিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রণালয়।
এছাড়া দেখা গেছে, পুলিশ সদর দফতর থেকে অনেক সময় শেষ মুহূর্তে চিঠি পাঠানো হয় এবং চিঠির বিষয়ে যথাযথ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিভিন্ন উপায়ে যোগাযোগ শুরু করেন। এতে সিদ্ধান্ত গ্রহণে জটিলতা দেখা দেয়। আরও বলা হয়, অনেক প্রস্তাব অসম্পূর্ণ বা নিয়মবহির্ভূতভাবে পাঠানো হয়, যা কার্যক্রম বাস্তবায়নে সমস্যা তৈরি করছে।
এই পরিস্থিতিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সাতটি জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে, যা হলো:
১) নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ করা যাবে না।
২) পদোন্নতি বা অন্য কোনো বিষয়ে অপ্রয়োজনীয় তদবির করা যাবে না।
৩) যথাসময়ে স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রস্তাব পাঠাতে হবে।
৪) বহিঃবাংলাদেশ ছুটির কাগজপত্র যথাযথভাবে যাচাই করে পাঠাতে হবে।
৫) চিকিৎসাজনিত ছুটির ক্ষেত্রে মেডিকেল বোর্ডের প্রত্যয়নসহ প্রতিবেদন দিতে হবে।
৬) আন্তঃমন্ত্রণালয় যোগাযোগে 'রুলস অব বিজনেস' অনুসরণ করতে হবে।
৭) প্রত্যেক কর্মকর্তাকে নিজ নিজ জেমস আইডিতে তথ্য হালনাগাদ রাখতে হবে।
এই নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে প্রতিপালনের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।