যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক নীতি পোশাক শিল্পের জন্য ইতিবাচক: ফজলে শামীম এহসান
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ০২-০৮-২০২৫ ০৬:১৯:০৪ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ০২-০৮-২০২৫ ০৬:১৯:০৪ অপরাহ্ন
- ১ মিনিট পড়ার সময়
- ৫২ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র চীন ব্যতীত অন্যান্য দেশের জন্য প্রায় সমান হারে আমদানি শুল্ক নির্ধারণ করাকে বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক সিদ্ধান্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি ফজলে শামীম এহসান। তিনি বলেন, বাংলাদেশসহ প্রধান পোশাক রফতানিকারক দেশগুলোর জন্য শুল্কহার ১৯-২০ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকায় আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা করার সক্ষমতা রক্ষা পেয়েছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০১
তিনি মার্কিন প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ন্যায্য ও সমতাভিত্তিক শুল্ক কাঠামো প্রণয়ন করায় বাংলাদেশ এখন প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর সমান সুযোগ পাচ্ছে। তবে এই সুযোগকে কাজে লাগাতে দেশীয় উদ্যোক্তাদের আরও দক্ষ হতে হবে এবং পণ্যের মূল্য নির্ধারণে মার্কিন ক্রেতাদের বোঝাতে হবে যে শুল্কের চাপ চূড়ান্ত ভোক্তার ওপর পড়বে।
ফজলে শামীম সতর্ক করে বলেন, শুল্কের কারণে পণ্যের দাম কিছুটা বাড়তে পারে, যার ফলে বিক্রি কমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। তবুও তিনি আশাবাদী, কারণ প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোতেও একই বা তার চেয়েও বেশি শুল্কহার প্রযোজ্য হওয়ায় বাংলাদেশ দরকষাকষির ক্ষেত্রে সুবিধাজনক অবস্থানে আছে।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব, নীতিগত সহায়তা এবং সুলভ সুদে ঋণের ব্যবস্থা করা গেলে বাংলাদেশের পোশাক খাত এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে আরও সমৃদ্ধি অর্জন করতে পারবে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।