ঢাকা , সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬ , ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) , ২৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
রমজানে নিত্যপণ্যের এলসি খোলা সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক নির্ভরযোগ্য তথ্য নিশ্চিতে পরিসংখ্যান ব্যবস্থায় সংস্কার বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্র হতে দেওয়া যাবে না: প্রধানমন্ত্রী তাহসিফের মৃত্যুতে রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিলেন দিশা অতিরিক্ত বল প্রয়োগ না করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারালো ট্রাম্পের রিপাবলিকান নিরাপত্তার কারণে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের প্রদর্শনী স্থগিত ২০২৬ সালে গতি পেয়েছে কোয়াড, এগিয়েছে তিন দেশের বৈঠক ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বেড়ে ২ হাজার ৬০ টাকা ২০২৭ সালে সরকারি ছুটি ২৯ দিন, সাধারণ ছুটি ১৫ দিন ছাদে সোলার প্যানেল বসালেই মিলবে কর ছাড় হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও ছড়ানোয় তাহসিফকে হত্যার সন্দেহ লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন আবেদন ফের নাকচ কর্মকর্তাদের গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দ কমাল ডিএসসিসি বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম ২৩ শতাংশ বাড়ার পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকের তুরাগ নদে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফের লাশ উদ্ধার কুষ্টিয়ায় ছয় হত্যা মামলায় হানিফের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড ৪৬ বছর পর ফিরছে গ্রাম সরকার, থাকছে ১৭ সদস্য

জুমার দিনে সূরা কাহফ তিলাওয়াতের ফজিলত জানেন কি?

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ০৭-০৮-২০২৫ ০৯:০১:৩৮ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৭-০৮-২০২৫ ০৯:০৮:০১ পূর্বাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ৮২ বার পঠিত
জুমার দিনে সূরা কাহফ তিলাওয়াতের ফজিলত জানেন কি? ছবি সংগৃহীত

সূরা কাহফ (Surah Al-Kahf) হলো কুরআনের ১৮ নম্বর সূরা। এতে রয়েছে ঈমান, ফিতনা, ধৈর্য, আল্লাহর রহমত ও কিয়ামতের শিক্ষা। বিশেষ করে জুমার দিন সূরা কাহফ তিলাওয়াত করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ একটি আমল—যা বহু সহিহ হাদিসে প্রমাণিত।


 হাদিসসমূহ ও ফজিলত:

 

 ১. জুমার দিনে নূর (আলো) লাভ:

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:

"যে ব্যক্তি জুমার দিনে সূরা কাহফ তিলাওয়াত করবে, তার জন্য দুই জুমার মধ্যবর্তী সময় পর্যন্ত একটি নূর (আলো) সৃষ্টি হবে।"
—(সুনান আল-দারিমি: ৩৪০৭, হাদিস সহিহ)

অর্থাৎ, এটি তাকে আলোকিত রাখবে—পাপ থেকে বাঁচতে সাহায্য করবে।

 

২. দাজ্জালের ফিতনা থেকে রক্ষা:
হযরত নবী কারীম (সা.) আরও বলেছেন:

"যে ব্যক্তি সূরা কাহফের প্রথম দশ আয়াত মুখস্থ রাখবে, সে দাজ্জালের ফিতনা থেকে রক্ষা পাবে।"
—(সহিহ মুসলিম: ৮০৯)

আর অন্য বর্ণনায় এসেছে:

"সূরা কাহফের শেষ দশ আয়াত দাজ্জালের বিপদ থেকে রক্ষা করবে।"
—(মুসলিম, হাদিস: ৮০৯)

এতে বোঝা যায়, দাজ্জালের ভয়াবহ ফিতনা থেকে বাঁচতে সূরা কাহফ নিয়মিত পড়া এবং মুখস্থ রাখা দরকার।

 

 ৩. কিয়ামতের আলো:

"যে ব্যক্তি সূরা কাহফ তিলাওয়াত করে, কিয়ামতের দিন তার জন্য এক আলো হবে, যা মক্কা থেকে মদীনা পর্যন্ত বিস্তৃত থাকবে।"
—(হাকিম, মুস্তাদরাক: হাদিস ৩৩৯২ - সহিহ হিসেবে গ্রহণযোগ্য)

 

কখন পড়া উত্তম?

  • জুমার দিন ফজরের পর থেকে সূর্য অস্ত যাওয়ার আগ পর্যন্ত যেকোনো সময় তিলাওয়াত করা যায়।

  • তবে অনেকে জুমার নামাজের আগেই পড়ে থাকেন, যেহেতু এটি জুমার দিনের আমল।

 

 কিছু উপকারিতা (সারসংক্ষেপে):

  • পাপ মোচন হয়

  • দাজ্জালের ফিতনা থেকে রক্ষা

  • দুই জুমার মাঝে নূর বা আলো

  • কিয়ামতের দিন আলোকিত পথ:

 

প্রতি জুমার দিন এই আমলটি নিয়ম করে গ্রহণ করুন। যদি পুরো সূরা কাহফ পড়তে সময় না পান, অন্তত প্রথম বা শেষ ১০ আয়াত মুখস্থ ও তিলাওয়াতের চেষ্টা করুন।


নিউজটি আপডেট করেছেন : Kaler Diganta

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।