রাশিয়া-ইরান বৈঠক ও ইউক্রেন, আফগান বিদ্যুৎ সহযোগিতায় আলোচনার পরিপ্রেক্ষিত
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ২৮-০৮-২০২৫ ০১:৩১:৪৯ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৮-০৮-২০২৫ ০১:৩৭:২৪ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৫৪ বার পঠিত
ডানে: কাজেম জালালি, মস্কোতে নিযুক্ত ইসলামী প্রজাতন্ত্রের ইরানের রাষ্ট্রদূত বামে: জেনারেল আলেকজান্ডার ফোমিন, রাশিয়ান ফেডারেশনের উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী। ছবি: সংগৃহীত
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাশিয়ার প্রতিরক্ষা উপমন্ত্রী জেনারেল আলেকজান্ডার ফোমিন ও মস্কোতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত কাজেম জালালির মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে দক্ষিণ ককেশাসসহ আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও সামরিক সহযোগিতার প্রাসঙ্গিক বিষয়গুলো আলোচনা হয়েছে। এই আলোচনায় দ্বিপাক্ষিক মৈত্রী ও কৌশলগত অংশিদারিত্ব আরও দৃঢ় করার লক্ষ্যে পারস্পরিক অঙ্গীকার প্রকাশ পেয়েছে। একই সময়ে, রাশিয়ার পক্ষ থেকে ইরানের রাষ্ট্রদূত জালালির অবদানের প্রশংসা করা হয়।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
রাশিয়া-ইরান সামরিক ও কৌশলগত সহযোগিতা বহু বছর ধরে চলমান। ইরানের রাষ্ট্রদূত বৈঠকে উভয় পক্ষের মধ্যে সামরিক ক্ষেত্রে সহযোগিতার উচ্চ মাত্রার গুরুত্ব ও সমন্বয়ের প্রতি জোর দেন। পাশাপাশি, দক্ষিণ ককেশাসসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক সংকট এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা অবস্থা নিয়ে গভীর আলোচনা হয়েছে, যা কৌশলগত স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই বৈঠক বন্ধুত্বপূর্ণ ও সম্পূর্ণ আস্থার পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে বলে রাশিয়ান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
অন্যদিকে, রাশিয়া ইউক্রেনে চলমান যুদ্ধের প্রসঙ্গে নরওয়ের বিরোধীতার রূপে ৮ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা প্রদানের কঠোর সমালোচনা করেছে। রাশিয়ান দূতাবাসের এক বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নরওয়ে ইউক্রেনীয় যুদ্ধে আগুনে ঘি ঢালছে এবং ইউরোপীয় সামরিক জোটের সঙ্গে সম্পূর্ণ একাত্মতা প্রকাশ করছে। এতে রাশিয়া মনে করছে, নরওয়ের এই পদক্ষেপ মস্কোর প্রতি সর্বোচ্চ ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে পরিচালিত।
নতুন আরেকটি আন্তর্জাতিক সহযোগিতায়, উজবেকিস্তান আফগানিস্তানে বিদ্যুৎ রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য চারটি নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। আফগান বিদ্যুৎ কোম্পানি ব্রেশনার জারি করা এক ঘোষণায় বলা হয়েছে, উজবেকিস্তান থেকে কাবুলসহ আফগানিস্তানের ১১টি প্রদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্প্রসারিত হবে। এর মাধ্যমে আফগানিস্তানে বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
এই ঘটনাগুলো সামগ্রিকভাবে দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপ, মধ্য এশিয়া ও ককেশাস অঞ্চলের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। একই সঙ্গে, রাশিয়া ও ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে উত্তেজনাও প্রবল হচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও সামরিক স্থিতিশীলতার জন্য চ্যালেঞ্জ সৃষ্টিকারী।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।