চার ধরনের জমির খাজনা স্থায়ীভাবে বাতিল: মালিকদের বড় স্বস্তি
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ২১-১১-২০২৫ ১২:৪৪:১২ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ২১-১১-২০২৫ ১২:৪৪:১২ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৬০ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
দেশে চার ধরনের জমির ওপর থেকে ভূমি উন্নয়ন কর স্থায়ীভাবে বাতিল করেছে সরকার। ভূমি মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্তে সংশ্লিষ্ট শ্রেণির জমির মালিকদের আর কোনো খাজনা দিতে হবে না, ফলে বহুদিনের আর্থিক চাপ থেকে মুক্তি পাবেন অসংখ্য ভূমি মালিক ও ব্যবহারকারী পরিবার।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
ভূমি মন্ত্রণালয়ের সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে—নতুন নীতিমালা অনুযায়ী সরকারি বা জাতীয় খালাস জমি, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি, সরকার বাস্তবায়িত পুনর্বাসন বা আবাসন প্রকল্পের আওতায় প্রাপ্ত জমি এবং সরকারি প্রয়োজনে অধিগ্রহণ করা জমির ক্ষেত্রে আর স্থায়ীভাবে কোনো ভূমি উন্নয়ন কর বা খাজনা আদায় করা হবে না। সরকারি বা জাতীয় খালাস জমির খতিয়ানভুক্ত সব সম্পত্তি সরাসরি খাজনা-মুক্ত থাকবে। একইভাবে মসজিদ, মন্দির, মঠসহ ধর্মীয় স্থাপনাগুলোর জমিও করের বাইরে থাকছে, তবে শর্ত হলো—এসব জমি বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা যাবে না।
পুনর্বাসন ও আবাসন প্রকল্পের অধীনে বিতরণ করা জমির মালিকদেরও স্থায়ীভাবে খাজনা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সরকারি ব্যবহারের জন্য অধিগ্রহণ করা জমিতেও একই নীতি প্রযোজ্য হবে, ফলে এসব জমির মালিকদের কোনো প্রকার আর্থিক দায় বহন করতে হবে না।
অসচ্ছল জমির মালিক ও প্রান্তিক কৃষকদের জন্য অতিরিক্ত সুবিধার কথাও জানায় মন্ত্রণালয়। নির্দিষ্ট সময়ের জন্য খাজনা ছাড় চাইলে তারা জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করতে পারবেন, যাচাই শেষে উপযুক্তদের ক্ষেত্রে তা অনুমোদিত হবে। সাধারণ জমির মালিকরা টানা তিন বছর খাজনা না দিলে জমি খাস খতিয়ানে চলে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে, তবে নতুন বিধান অনুযায়ী যেসব জমি স্থায়ীভাবে অব্যাহতিপ্রাপ্ত—সেগুলোর ক্ষেত্রে এ নিয়ম প্রযোজ্য হবে না।
খাজনা আদায়ের পদ্ধতিতেও এসেছে আধুনিকায়ন। এখন থেকে পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সম্পন্ন হবে। ওয়েবসাইট বা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে বিকাশ, নগদ, রকেটসহ বিভিন্ন পেমেন্ট চ্যানেল ব্যবহার করে অনলাইনে সহজে খাজনা পরিশোধ করা যাবে, ফলে আর ভূমি অফিসে গিয়ে লাইনে দাঁড়ানোর প্রয়োজন হবে না।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।