স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডিজির সঙ্গে তর্কে জড়ানো চিকিৎসক অব্যাহতি, শোকজ নোটিশ
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ০৭-১২-২০২৫ ০১:২১:৫৬ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৭-১২-২০২৫ ০১:২১:৫৬ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৪৫ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবু জাফরের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়া এক চিকিৎসককে সাময়িকভাবে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এ নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
শনিবার বিকেলে হাসপাতাল প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিকেল চারটার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. গোলাম ফেরদৌস চিকিৎসক ধনদেব চন্দ্র বর্মণের কাছে শোকজ নোটিশ জারি করেন।
হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) মাইনউদ্দিন খান গণমাধ্যমকে জানান, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ সরকারি কর্মচারী বিধিমালার পরিপন্থী। এ কারণেই প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হাসপাতালের ক্যাজুয়ালটি অপারেশন থিয়েটার পরিদর্শনের সময় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক একটি কক্ষে টেবিল রাখা নিয়ে প্রশ্ন করেন। এ বিষয়েই জরুরি বিভাগের ইনচার্জ ধনদেব চন্দ্র বর্মণের সঙ্গে তাঁর কথা কাটাকাটি হয়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ধনদেব চন্দ্র বর্মণ ২০২৩ সালের ৮ আগস্ট থেকে ওয়ান-স্টপ সার্ভিসের ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। চলতি বছরের জুলাই মাসে তিনি আবাসিক সার্জন পদ থেকে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতিও পান।
এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়ায় ধনদেব চন্দ্র বর্মণ বলেন, তিনি মহাপরিচালকের কাছ থেকে সম্মানজনক আচরণ প্রত্যাশা করেছিলেন। তবে সমস্যাগুলো জানার পরিবর্তে অন্য বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করায় তিনি মানসিকভাবে আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন। তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নানা কারণে তার ক্যারিয়ার কাঙ্ক্ষিতভাবে এগোয়নি।
নিউজটি আপডেট করেছেন : Kaler Diganta
শনিবার বিকেলে হাসপাতাল প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিকেল চারটার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. গোলাম ফেরদৌস চিকিৎসক ধনদেব চন্দ্র বর্মণের কাছে শোকজ নোটিশ জারি করেন।
হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) মাইনউদ্দিন খান গণমাধ্যমকে জানান, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ সরকারি কর্মচারী বিধিমালার পরিপন্থী। এ কারণেই প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হাসপাতালের ক্যাজুয়ালটি অপারেশন থিয়েটার পরিদর্শনের সময় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক একটি কক্ষে টেবিল রাখা নিয়ে প্রশ্ন করেন। এ বিষয়েই জরুরি বিভাগের ইনচার্জ ধনদেব চন্দ্র বর্মণের সঙ্গে তাঁর কথা কাটাকাটি হয়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ধনদেব চন্দ্র বর্মণ ২০২৩ সালের ৮ আগস্ট থেকে ওয়ান-স্টপ সার্ভিসের ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। চলতি বছরের জুলাই মাসে তিনি আবাসিক সার্জন পদ থেকে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতিও পান।
এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়ায় ধনদেব চন্দ্র বর্মণ বলেন, তিনি মহাপরিচালকের কাছ থেকে সম্মানজনক আচরণ প্রত্যাশা করেছিলেন। তবে সমস্যাগুলো জানার পরিবর্তে অন্য বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করায় তিনি মানসিকভাবে আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন। তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নানা কারণে তার ক্যারিয়ার কাঙ্ক্ষিতভাবে এগোয়নি।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।