ঢাকা , সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬ , ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) , ২৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
রমজানে নিত্যপণ্যের এলসি খোলা সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক নির্ভরযোগ্য তথ্য নিশ্চিতে পরিসংখ্যান ব্যবস্থায় সংস্কার বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্র হতে দেওয়া যাবে না: প্রধানমন্ত্রী তাহসিফের মৃত্যুতে রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিলেন দিশা অতিরিক্ত বল প্রয়োগ না করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারালো ট্রাম্পের রিপাবলিকান নিরাপত্তার কারণে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের প্রদর্শনী স্থগিত ২০২৬ সালে গতি পেয়েছে কোয়াড, এগিয়েছে তিন দেশের বৈঠক ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বেড়ে ২ হাজার ৬০ টাকা ২০২৭ সালে সরকারি ছুটি ২৯ দিন, সাধারণ ছুটি ১৫ দিন ছাদে সোলার প্যানেল বসালেই মিলবে কর ছাড় হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও ছড়ানোয় তাহসিফকে হত্যার সন্দেহ লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন আবেদন ফের নাকচ কর্মকর্তাদের গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দ কমাল ডিএসসিসি বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম ২৩ শতাংশ বাড়ার পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকের তুরাগ নদে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফের লাশ উদ্ধার কুষ্টিয়ায় ছয় হত্যা মামলায় হানিফের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড ৪৬ বছর পর ফিরছে গ্রাম সরকার, থাকছে ১৭ সদস্য

অস্ট্রেলিয়ায় জন্মহার কম, দক্ষ জনবল আনতে মরিয়া সরকার

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ০৯-০৭-২০২৫ ১১:৪৪:৫৪ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৯-০৭-২০২৫ ১১:৪৪:৫৪ অপরাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ৭৫ বার পঠিত
অস্ট্রেলিয়ায় জন্মহার কম, দক্ষ জনবল আনতে মরিয়া সরকার ছবি: সংগৃহীত
অস্ট্রেলিয়ায় জন্মহার আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পেয়েছে। গেল বছর দেশটিতে জন্ম হয়েছে মাত্র এক লাখ শিশু, যেখানে বিদেশ থেকে প্রবাসী যুক্ত হয়েছেন প্রায় সাড়ে চার লাখ। জনসংখ্যার ঘাটতি মোকাবেলায় বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশ থেকে দক্ষ জনবল স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ করে দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে অস্ট্রেলিয়া সরকার।
 
বাংলাদেশের চেয়ে আয়তনে ৫২ গুণ বড় হলেও অস্ট্রেলিয়ার জনসংখ্যা প্রায় ঢাকা শহরের সমান, বর্তমানে প্রায় দুই কোটি ৭২ লাখ। ২০২৪ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার মাত্র ২.১ শতাংশ।
 
করোনা মহামারির কারণে প্রায় দুই বছর সীমান্ত বন্ধ থাকার পর ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে তা খুলে দেয় অস্ট্রেলিয়া। অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে সরকার কর্মক্ষম ব্যক্তি ও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের প্রবেশের অনুমতি দেয়। এতে জনসংখ্যা কিছুটা বাড়লেও, স্থানীয়ভাবে শিশু জন্মের হার থেকে বোঝা যাচ্ছে অভ্যন্তরীণ প্রবৃদ্ধি অনেকটাই স্থবির।
 
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত অস্ট্রেলিয়ানদের সংখ্যা বর্তমানে এক লাখের কাছাকাছি। এদের বেশিরভাগই উচ্চশিক্ষার জন্য গিয়ে সেখানেই স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেছেন। তবে অদক্ষ শ্রমিকের প্রবেশে বিধিনিষেধ থাকায় প্রবাসী বাংলাদেশির সংখ্যা ব্যাপক হারে বাড়েনি। ২০২৩ সালে প্রায় ১৪ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী অস্ট্রেলিয়ায় গেছেন, আর ২০২৪ সালে এ সংখ্যা আরও বেড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
 
এক সময়ের ব্রিটিশ উপনিবেশ অস্ট্রেলিয়া আজ একটি অভিবাসী ভিত্তিক সমাজ। নাগরিকদের প্রতি তিনজনের একজন ভিন্ন দেশে জন্মগ্রহণ করেছেন এবং প্রতি দুইজনের একজনের বাবা-মায়ের জন্ম বিদেশে। স্বল্পমেয়াদি ভিসায় আসা শিক্ষার্থী ও কর্মীরা অস্ট্রেলিয়ার অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রেখে চলেছেন।

নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার-1

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।