যুদ্ধবিমান ক্রয় ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে পাকিস্তান সফরে বিমান বাহিনী প্রধান
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ০৬-০১-২০২৬ ০৬:৪৯:৫৪ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৬-০১-২০২৬ ০৬:৫০:২১ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৯১ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর আধুনিকায়ন ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচনের লক্ষ্যে ৫ দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে এখন পাকিস্তানে অবস্থান করছেন বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান। গত ৪ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ইসলামাবাদে পৌঁছালে তাকে লাল গালিচা সংবর্ধনা ও গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এই সফরের মূল লক্ষ্য হলো দুই দেশের মধ্যে সামরিক প্রশিক্ষণ বিনিময় ও নতুন প্রজন্মের জেএফ-১৭ (JF-17) থান্ডার যুদ্ধবিমান সংগ্রহের বিষয়ে কার্যকর আলোচনা করা। রাশিয়ার তৈরি সামরিক সরঞ্জামের ওপর দীর্ঘদিনের নির্ভরতা কমিয়ে পশ্চিমা ও চীনা প্রযুক্তির সমন্বয়ে বিমান বাহিনীকে ঢেলে সাজানোর যে পরিকল্পনা সরকার নিয়েছে, এই সফরকে তারই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা।
ইসলামাবাদে অবস্থানকালে এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান পাকিস্তান বিমান বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাথে একাধিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক সম্পন্ন করেছেন। এসব বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সামরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনার পাশাপাশি যৌথ প্রশিক্ষণ মহড়া ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
দীর্ঘদিনের সামরিক সুসম্পর্ককে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিতে দুই পক্ষই ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছে। বিশেষ করে জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমানটি বর্তমানে পাকিস্তান ও চীনের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত একটি অন্যতম শক্তিশালী ফাইটার জেট, যা বাংলাদেশের বর্তমান আকাশ প্রতিরক্ষা পরিকল্পনায় বড় পরিবর্তন আনতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
ইসলামাবাদে অবস্থানকালে এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান পাকিস্তান বিমান বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাথে একাধিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক সম্পন্ন করেছেন। এসব বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সামরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনার পাশাপাশি যৌথ প্রশিক্ষণ মহড়া ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
দীর্ঘদিনের সামরিক সুসম্পর্ককে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিতে দুই পক্ষই ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছে। বিশেষ করে জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমানটি বর্তমানে পাকিস্তান ও চীনের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত একটি অন্যতম শক্তিশালী ফাইটার জেট, যা বাংলাদেশের বর্তমান আকাশ প্রতিরক্ষা পরিকল্পনায় বড় পরিবর্তন আনতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী বর্তমানে 'ফোর্সেস গোল ২০৩০' এবং সমসাময়িক আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে বৈচিত্র্যময় উৎস থেকে সমরসম্ভার সংগ্রহের চেষ্টা চালাচ্ছে। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের ফলে রাশিয়ান যন্ত্রাংশ ও বিমান রক্ষণাবেক্ষণে যে জটিলতা তৈরি হয়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে বাংলাদেশ এখন বিকল্প হিসেবে চীন ও পাকিস্তানের যৌথ প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে। এই সফরের মাধ্যমে ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে বিমান চালনা ও কারিগরি ক্ষেত্রে আরও নিবিড় সম্পর্ক তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও সামরিক ভারসাম্য রক্ষায় ভূমিকা রাখবে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।