ঢাকা , সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬ , ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) , ২৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
রমজানে নিত্যপণ্যের এলসি খোলা সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক নির্ভরযোগ্য তথ্য নিশ্চিতে পরিসংখ্যান ব্যবস্থায় সংস্কার বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্র হতে দেওয়া যাবে না: প্রধানমন্ত্রী তাহসিফের মৃত্যুতে রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিলেন দিশা অতিরিক্ত বল প্রয়োগ না করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারালো ট্রাম্পের রিপাবলিকান নিরাপত্তার কারণে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের প্রদর্শনী স্থগিত ২০২৬ সালে গতি পেয়েছে কোয়াড, এগিয়েছে তিন দেশের বৈঠক ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বেড়ে ২ হাজার ৬০ টাকা ২০২৭ সালে সরকারি ছুটি ২৯ দিন, সাধারণ ছুটি ১৫ দিন ছাদে সোলার প্যানেল বসালেই মিলবে কর ছাড় হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও ছড়ানোয় তাহসিফকে হত্যার সন্দেহ লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন আবেদন ফের নাকচ কর্মকর্তাদের গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দ কমাল ডিএসসিসি বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম ২৩ শতাংশ বাড়ার পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকের তুরাগ নদে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফের লাশ উদ্ধার কুষ্টিয়ায় ছয় হত্যা মামলায় হানিফের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড ৪৬ বছর পর ফিরছে গ্রাম সরকার, থাকছে ১৭ সদস্য

আইসক্রিম খেলে সর্দি-কাশি হয়? যা বলছেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ১৫-০৪-২০২৬ ১১:৫৩:৪০ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৫-০৪-২০২৬ ১১:৫৩:৪০ পূর্বাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ২১০ বার পঠিত
আইসক্রিম খেলে সর্দি-কাশি হয়? যা বলছেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ সংগৃহীত ছবি
 

শিশু একটু আইসক্রিম বা ঠান্ডা পানি খেলেই সর্দি-কাশি লেগে যায়—এমন ধারণা বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি পরিবারে প্রচলিত। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই বিশ্বাস পুরোপুরি সঠিক নয়। শিশুর সর্দি-কাশির মূল কারণ ঠান্ডা খাবার নয়, বরং ভাইরাস সংক্রমণ।
 

শিশুরোগ চিকিৎসক নন্দিতা সাহা জানান, শিশুদের সাধারণ সর্দি ও কাশি মূলত বিভিন্ন ভাইরাসের কারণে হয়। এই জীবাণু বাতাসের মাধ্যমে বা আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির সংস্পর্শে অত্যন্ত সহজে ছড়িয়ে পড়ে। আইসক্রিম বা ঠান্ডা পানীয় খেলেই যে সর্দি-কাশির ঝুঁকি বাড়ে, এমন কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ এখন পর্যন্ত নেই।
 

তাহলে এই ভুল ধারণা তৈরি হলো কীভাবে? চিকিৎসকের ব্যাখ্যা হলো, অনেক সময় শিশু ঠান্ডা কিছু খাওয়ার ঠিক পরেই সর্দি বা কাশির লক্ষণ দেখা দেয়। কিন্তু বাস্তবে ভাইরাস আগে থেকেই শরীরে প্রবেশ করেছিল, কেবল লক্ষণটা সেই মুহূর্তে প্রকাশ পায়। দুটি ঘটনার সময়গত মিল থাকায় মানুষ দুটির মধ্যে কার্যকারণ সম্পর্ক আছে বলে ধরে নেয়।
 

তবে ঠান্ডা খাবার সম্পূর্ণ নিরীহ, তা-ও নয়। আইসক্রিম বা ঠান্ডা পানীয় খেলে গলায় সাময়িক জ্বালা বা খুশখুশে অনুভূতি হতে পারে, যা দ্রুত সেরে যায়। কখনো পেটে সংক্রমণ বা পেটখারাপও হতে পারে। তবে এটি ভাইরাসজনিত সর্দি-কাশি নয়। ভাইরাস সংক্রমণের ক্ষেত্রে নাক দিয়ে পানি পড়া, বারবার কাশি, জ্বর ও ক্লান্তি একসঙ্গে দেখা দেয় এবং কয়েক দিন ধরে স্থায়ী হয়—এই লক্ষণগুলোই মূল সতর্কসংকেত।
 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুর সর্দি-কাশির জন্য কেবল খাবারকে দায়ী না করে সমস্যার আসল উৎস ভাইরাসের দিকে মনোযোগ দেওয়া জরুরি। সমাধান সেখানেই খুঁজতে হবে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৪

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।