বাংলাদেশে পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যুর ঘটনা প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানোর তাগিদ
- আপলোড সময় : ১১-০৫-২০২৬ ০১:১১:৩২ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১১-০৫-২০২৬ ০১:১১:৩২ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১২১ বার পঠিত
প্রতীকী ছবি- ( সংগৃহীত)
পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকে। পরিবারের সদস্যদের সামান্য অসাবধানতার সুযোগে শিশুরা বাড়ির আশপাশের পানিতে পড়ে যেতে পারে। অনেক সময় কয়েক মিনিটের মধ্যেই বড় দুর্ঘটনা ঘটে যায়।
গ্রামাঞ্চলে ঝুঁকি বেশি
গ্রামাঞ্চলে বাড়ির পাশে পুকুর বা জলাশয় থাকায় শিশুদের জন্য ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি। অনেক পরিবারে অভিভাবকেরা কাজের ব্যস্ততায় শিশুদের প্রতি সার্বক্ষণিক নজরদারি করতে পারেন না। ফলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বেড়ে যায়।
সচেতনতা বাড়ানো জরুরি
পরিবার ও সমাজকে এ বিষয়ে আরও সচেতন হতে হবে। শিশুদের একা বাইরে যেতে না দেওয়া, জলাশয়ের পাশে নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং শিশুদের প্রতি নিয়মিত নজরদারি দুর্ঘটনা কমাতে সহায়ক হতে পারে।
সাঁতার শেখানোর পরামর্শ
শিশুদের উপযুক্ত বয়সে সাঁতার শেখানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া দরকার। এতে জরুরি পরিস্থিতিতে শিশুর আত্মরক্ষার সক্ষমতা কিছুটা বাড়তে পারে। তবে সাঁতার জানা থাকলেও শিশুদের একা পানির কাছে যেতে দেওয়া উচিত নয়।
সমাজভিত্তিক উদ্যোগ প্রয়োজন
স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম, মাইকিং, স্কুলভিত্তিক প্রচারণা এবং অভিভাবকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পানিতে ডুবে মৃত্যুর ঘটনা কমানো সম্ভব।
পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যু একটি প্রতিরোধযোগ্য দুর্ঘটনা। পরিবার, সমাজ ও প্রশাসনের সমন্বিত সচেতনতা এবং দায়িত্বশীল আচরণই পারে অসংখ্য শিশুর জীবন রক্ষা করতে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।