দেশে বাড়ছে হামের প্রাদুর্ভাব: সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে পৃথক ওয়ার্ড চালুর নির্দেশ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ২০-০৫-২০২৬ ০২:০২:২১ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ২০-০৫-২০২৬ ০২:০২:২১ পূর্বাহ্ন
- ১ মিনিট পড়ার সময়
- ৬০ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
দেশজুড়ে হাম রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় সরকারি ও বেসরকারি সব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে হাম ও সন্দেহজনক হাম রোগীদের চিকিৎসায় বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ ও কার্যকর চিকিৎসা নিশ্চিত করতে আলাদা ওয়ার্ড বা কেবিন নির্ধারণসহ সরকারি হাসপাতালকে পাঁচ দফা এবং বেসরকারি হাসপাতালকে ছয় দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সরকারি বা বেসরকারি সব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানকে হাম ও সন্দেহজনক হাম রোগীদের জন্য পৃথক ওয়ার্ড বা কেবিন চালু করতে হবে। আক্রান্ত রোগীদের ভর্তি করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ও ডেন্টাল কলেজ আইন অনুযায়ী, বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১০ শতাংশ শয্যা বিনা মূল্যে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য সংরক্ষিত থাকার কথা। এর মধ্যে ৫ শতাংশ শয্যা হাম রোগীদের জন্য নির্ধারণ করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সরকারি হাসপাতালের জন্য নির্দেশনায় আরও বলা হয়, হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী নিশ্চিত করতে হবে। ছুটির দিনসহ প্রতিদিন সকাল ও বিকেলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের রাউন্ড দিতে হবে।
রোগীর সঙ্গে একজনের বেশি অভিভাবক বা দর্শনার্থী প্রবেশ করতে পারবেন না বলেও জানানো হয়েছে। পাশাপাশি ভর্তি রোগীদের তথ্য প্রতিদিন এমআইএস সার্ভারে আপলোড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
মঙ্গলবার পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সরকারি বা বেসরকারি সব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানকে হাম ও সন্দেহজনক হাম রোগীদের জন্য পৃথক ওয়ার্ড বা কেবিন চালু করতে হবে। আক্রান্ত রোগীদের ভর্তি করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ও ডেন্টাল কলেজ আইন অনুযায়ী, বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১০ শতাংশ শয্যা বিনা মূল্যে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য সংরক্ষিত থাকার কথা। এর মধ্যে ৫ শতাংশ শয্যা হাম রোগীদের জন্য নির্ধারণ করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সরকারি হাসপাতালের জন্য নির্দেশনায় আরও বলা হয়, হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী নিশ্চিত করতে হবে। ছুটির দিনসহ প্রতিদিন সকাল ও বিকেলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের রাউন্ড দিতে হবে।
রোগীর সঙ্গে একজনের বেশি অভিভাবক বা দর্শনার্থী প্রবেশ করতে পারবেন না বলেও জানানো হয়েছে। পাশাপাশি ভর্তি রোগীদের তথ্য প্রতিদিন এমআইএস সার্ভারে আপলোড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।