ক্লান্তি দূর করতে চা-কফি নয়, পুষ্টিবিদরা বলছেন ৫ পানীয়ের কথা
- আপলোড সময় : ১৫-০৬-২০২৬ ০১:৫১:৩৯ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৫-০৬-২০২৬ ০১:৫১:৩৯ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১২২ বার পঠিত
সংগৃহীত ছবি
শরীর ক্লান্ত লাগলে আমরা সাধারণত চা বা কফির দিকে ঝুঁকি। কিন্তু পুষ্টিবিদরা বলছেন, এই অভ্যাস সাময়িক চাঙাভাব দিলেও দীর্ঘমেয়াদে উপকারের চেয়ে ক্ষতিই বেশি করে। বরং ডাবের পানি, লেবু-মধুর পানি, ডালিমের জুস, হারবাল চা ও কলা-দুধের স্মুদি শরীরকে দ্রুত ও স্থায়িভাবে সতেজ করতে সবচেয়ে কার্যকর। পানিশূন্যতা ও পুষ্টির ঘাটতিই সাধারণত ক্লান্তির মূল কারণ, আর এই পানীয়গুলো সেই ঘাটতি পূরণ করে।
কলার স্মুদি পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও উচ্চমাত্রার ফাইবারে সমৃদ্ধ, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে ও সকালে কার্ব এবং পুষ্টির জোগান দেয়। সঙ্গে টকদই, দুধ বা বাদাম মিশিয়ে নিলে হজমেও উপকার মেলে। হারবাল চায়ের ক্ষেত্রে গ্রিন টির সঙ্গে এলাচ, আদা ও হলুদ মেশালে তা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর হয় এবং বিপাক, রক্তসঞ্চালন ও ক্লান্তি দূর করতে কার্যকর — তবে সকালে বা রাতে ঘুমানোর আগে খাওয়াই ভালো।
ডাবের পানি গ্রীষ্মের তাপে শরীর সতেজ রাখার পাশাপাশি ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখে ও রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। চিয়া বীজ মিশিয়ে খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণেও কাজ দেয়। ডালিমের জুসে রয়েছে ভিটামিন সি, কে ও ই এবং আয়রন, পটাশিয়াম, জিঙ্কসহ একাধিক খনিজ উপাদান, যা ক্লান্তি দূর করার পাশাপাশি রক্তচাপ ও কোলেস্টেরলও নিয়ন্ত্রণে রাখে। সঙ্গে লেবুর রস মেশালে আয়রন শোষণ আরও ভালো হয়। আর তরমুজের জুসে চিয়া বীজ মিশিয়ে খেলে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও খনিজ উপাদান একসঙ্গে পাওয়া যায়, যা ক্লান্তি কাটাতে দ্রুত কাজ করে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।