কুড়িগ্রামে সরকারি ওষুধ পুড়িয়ে ফেলার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন
বিপুল পরিমাণ ওষুধ পুড়িয়ে ফেলার অভিযোগ উঠে
- আপলোড সময় : ১১-০৮-২০২৬ ১০:১৪:০৫ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২০-০৮-২০২৬ ০৯:২৬:৫০ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১৬২ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
কুড়িগ্রামের চর রাজিবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের জন্য বরাদ্দ করা সরকারি ওষুধ আগুনে পুড়িয়ে ফেলার অভিযোগের ঘটনায় তিন সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে কুড়িগ্রামের সিভিল সার্জন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এর আগে সোমবার রাতে রাজিবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে বিপুল পরিমাণ সরকারি ওষুধ আগুনে পুড়িয়ে নষ্ট করার অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি স্থানীয় বাসিন্দাদের নজরে এলে তারা প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সরকারি অর্থে কেনা রোগীদের জন্য বরাদ্দ ওষুধ এভাবে নষ্ট করার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় রোগীদের অভিযোগ, হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেলে অনেক সময় প্রয়োজনীয় সরকারি ওষুধ পাওয়া যায় না। ফলে দরিদ্র রোগীদের বাইরের ফার্মেসি থেকে তুলনামূলক বেশি দামে ওষুধ কিনতে হয়। একই সঙ্গে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সারওয়ার জাহানের বিরুদ্ধে নিয়মিত কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা এবং প্রশাসনিক অনিয়মের অভিযোগও করেন তারা।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে ডা. সারওয়ার জাহান দাবি করেন, হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে কিছু পুরোনো কাগজপত্র পুড়িয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। ওই সময় করোনাকালের কিছু অব্যবহৃত ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধও একসঙ্গে বিনষ্ট করা হয় বলে জানান তিনি।
এদিকে সরকারি ওষুধ পুড়িয়ে ফেলার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কুড়িগ্রামের সিভিল সার্জন। তিনি বলেন, এ ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে সরকারি ওষুধগুলো কেন নষ্ট করা হয়েছিল, সেগুলো সত্যিই মেয়াদোত্তীর্ণ ছিল কি না এবং ওষুধ ধ্বংসের ক্ষেত্রে নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছিল কি না—এসব বিষয় স্পষ্ট হওয়ার কথা রয়েছে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।