টেকসই জ্বালানি উদ্ভাবনে ‘স্ফুরণ ২০২৬’, ধারণা জমা দেওয়া যাবে ২৫ অক্টোবর
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের দুই সদস্যের দল ও জ্বালানি খাতের পেশাজীবীরা অংশ নিতে পারবেন
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১১-১০-২০২৬ ০১:৪৪:০৩ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১১-১০-২০২৬ ০৬:২৫:৪৯ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১২৮ বার পঠিত
ছবি সংগৃহিত
বাংলাদেশের টেকসই জ্বালানি ভবিষ্যৎ গড়তে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতের পেশাজীবীদের নিয়ে জাতীয় ধারণা প্রতিযোগিতা ‘স্ফুরণ: টেকসই জ্বালানি উদ্ভাবনের খোঁজে ২০২৬’ শুরু হয়েছে। প্রতিযোগিতায় নির্বাচিত অংশগ্রহণকারীরা বিশেষজ্ঞ বিচারকমণ্ডলীর সামনে নিজেদের ধারণা উপস্থাপন এবং উন্নয়ন সহযোগী, বিনিয়োগকারী ও অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে তা তুলে ধরার সুযোগ পাবেন। শনিবার (১০ অক্টোবর) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ৮ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত প্রতিযোগিতায় ধারণা জমা দেওয়া যাবে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগের উদ্যোগে এবং টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (স্রেডা) সহযোগিতায় প্রতিযোগিতাটি বাস্তবায়ন করছে জার্মান সরকার ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষে জিআইজেড বাংলাদেশ। জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র (আরইএসপি) ২০২৬–২০৩০-এর লক্ষ্য অর্জনে অবদান রাখার উদ্দেশ্যে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। কৌশলপত্র অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে ১০ হাজার ৪৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সময়ে ২০২৬ সালের ভিত্তিমানের তুলনায় ১৫ শতাংশ জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যও রয়েছে। প্রতিযোগিতায় দুটি বিভাগে ধারণা জমা দেওয়া যাবে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিভাগে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ, বিদ্যুৎ গ্রিডের আধুনিকায়ন, জ্বালানি সংরক্ষণ প্রযুক্তি, দেশীয় সোলার প্যানেল ও ইনভার্টার উৎপাদন, বায়ুবিদ্যুৎ এবং কৃষিকাজের সঙ্গে সৌরবিদ্যুতের সমন্বিত ব্যবহার বা অ্যাগ্রিভোল্টাইকসের মতো বিষয়ে উদ্ভাবনী ধারণা আহ্বান করা হয়েছে। জমির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রস্তাবও দেওয়া যাবে।
অন্যদিকে, জ্বালানি দক্ষতা বিভাগে জ্বালানির ব্যবহার কমানো ও দক্ষতা বাড়ানোর ধারণা জমা দেওয়া যাবে। এর মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কমিউনিটিভিত্তিক উদ্যোগ, পরিচ্ছন্ন রান্নার ব্যবস্থা, জ্বালানি ব্যবহারের দক্ষতা পর্যবেক্ষণে ডিজিটাল প্রযুক্তি, বিদ্যমান স্থাপনা ও যন্ত্রপাতির দক্ষতা বৃদ্ধি, আচরণগত পরিবর্তন এবং নীতিগত প্রস্তাবনা রয়েছে। দেশের যেকোনো সরকারি বা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে যেকোনো বিষয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা দুই সদস্যের দল গঠন করে অংশ নিতে পারবেন। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে কর্মরত পেশাজীবীরা এককভাবে অংশ নিতে পারবেন। আবেদন জমার সময় অংশগ্রহণকারীদের পরিচয় ও যোগ্যতা যাচাই করা হবে।
কোনো আবেদন অসত্য বা প্রতারণামূলক প্রমাণিত হলে প্রতিযোগিতার যেকোনো পর্যায়ে তা বাতিল হতে পারে। অংশগ্রহণে আগ্রহীদের প্রতিযোগিতার ওয়েবসাইটে নিবন্ধনের পাশাপাশি লিখিত কনসেপ্ট নোট ও সর্বোচ্চ তিন মিনিটের পিচ ভিডিও জমা দিতে হবে। সেখান থেকে নির্বাচিত সেরা ধারণাগুলো বিশেষজ্ঞ বিচারকমণ্ডলীর সামনে সরাসরি উপস্থাপনের সুযোগ পাবে। বিজয়ীদের জন্য আয়োজন করা হবে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। প্রতিটি বিভাগের বিজয়ীরা ট্রফি ও সনদের পাশাপাশি শিক্ষা বা পেশাগত অগ্রযাত্রায় সহায়ক পুরস্কার পাবেন। একই সঙ্গে উন্নয়ন সহযোগী, বিনিয়োগকারী ও অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে নিজেদের উদ্ভাবনী ধারণা তুলে ধরার সুযোগও থাকবে। আগ্রহীরা https://seideacontest2026.sreda.gov.bd/ ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন। নিয়মিত তথ্য ও হালনাগাদ জানতে #seideacontest2026 অনুসরণ করার আহ্বান জানিয়েছেন আয়োজকেরা।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৩
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগের উদ্যোগে এবং টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (স্রেডা) সহযোগিতায় প্রতিযোগিতাটি বাস্তবায়ন করছে জার্মান সরকার ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষে জিআইজেড বাংলাদেশ। জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র (আরইএসপি) ২০২৬–২০৩০-এর লক্ষ্য অর্জনে অবদান রাখার উদ্দেশ্যে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। কৌশলপত্র অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে ১০ হাজার ৪৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সময়ে ২০২৬ সালের ভিত্তিমানের তুলনায় ১৫ শতাংশ জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যও রয়েছে। প্রতিযোগিতায় দুটি বিভাগে ধারণা জমা দেওয়া যাবে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিভাগে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ, বিদ্যুৎ গ্রিডের আধুনিকায়ন, জ্বালানি সংরক্ষণ প্রযুক্তি, দেশীয় সোলার প্যানেল ও ইনভার্টার উৎপাদন, বায়ুবিদ্যুৎ এবং কৃষিকাজের সঙ্গে সৌরবিদ্যুতের সমন্বিত ব্যবহার বা অ্যাগ্রিভোল্টাইকসের মতো বিষয়ে উদ্ভাবনী ধারণা আহ্বান করা হয়েছে। জমির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রস্তাবও দেওয়া যাবে।
অন্যদিকে, জ্বালানি দক্ষতা বিভাগে জ্বালানির ব্যবহার কমানো ও দক্ষতা বাড়ানোর ধারণা জমা দেওয়া যাবে। এর মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কমিউনিটিভিত্তিক উদ্যোগ, পরিচ্ছন্ন রান্নার ব্যবস্থা, জ্বালানি ব্যবহারের দক্ষতা পর্যবেক্ষণে ডিজিটাল প্রযুক্তি, বিদ্যমান স্থাপনা ও যন্ত্রপাতির দক্ষতা বৃদ্ধি, আচরণগত পরিবর্তন এবং নীতিগত প্রস্তাবনা রয়েছে। দেশের যেকোনো সরকারি বা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে যেকোনো বিষয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা দুই সদস্যের দল গঠন করে অংশ নিতে পারবেন। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে কর্মরত পেশাজীবীরা এককভাবে অংশ নিতে পারবেন। আবেদন জমার সময় অংশগ্রহণকারীদের পরিচয় ও যোগ্যতা যাচাই করা হবে।
কোনো আবেদন অসত্য বা প্রতারণামূলক প্রমাণিত হলে প্রতিযোগিতার যেকোনো পর্যায়ে তা বাতিল হতে পারে। অংশগ্রহণে আগ্রহীদের প্রতিযোগিতার ওয়েবসাইটে নিবন্ধনের পাশাপাশি লিখিত কনসেপ্ট নোট ও সর্বোচ্চ তিন মিনিটের পিচ ভিডিও জমা দিতে হবে। সেখান থেকে নির্বাচিত সেরা ধারণাগুলো বিশেষজ্ঞ বিচারকমণ্ডলীর সামনে সরাসরি উপস্থাপনের সুযোগ পাবে। বিজয়ীদের জন্য আয়োজন করা হবে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। প্রতিটি বিভাগের বিজয়ীরা ট্রফি ও সনদের পাশাপাশি শিক্ষা বা পেশাগত অগ্রযাত্রায় সহায়ক পুরস্কার পাবেন। একই সঙ্গে উন্নয়ন সহযোগী, বিনিয়োগকারী ও অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে নিজেদের উদ্ভাবনী ধারণা তুলে ধরার সুযোগও থাকবে। আগ্রহীরা https://seideacontest2026.sreda.gov.bd/ ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন। নিয়মিত তথ্য ও হালনাগাদ জানতে #seideacontest2026 অনুসরণ করার আহ্বান জানিয়েছেন আয়োজকেরা।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।