বাংলাদেশ-পাকিস্তান আলোচনা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ভারত
- আপলোড সময় : ০৯-০১-২০২৬ ১১:২৩:৫৯ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৯-০১-২০২৬ ১১:২৩:৫৯ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৭১ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা–সংক্রান্ত সাম্প্রতিক আলোচনার অগ্রগতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ভারত। বিশেষ করে পাকিস্তান থেকে জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান সংগ্রহের সম্ভাব্য বিষয়টি ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার ওপর কী ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে, সে দিকটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে নয়াদিল্লি।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এমন যেকোনো উন্নয়নের ওপর দেশটি সতর্ক নজর রাখে।
প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান ইসলামাবাদ সফরে যান। সেখানে তিনি পাকিস্তান বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল জহির আহমেদ বাবর সিধুর সঙ্গে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানোর অংশ হিসেবে পাকিস্তান ও চীনের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান ক্রয়ের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।
এদিকে, আগামী ২৯ জানুয়ারি থেকে ঢাকা–করাচি সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত এবং এই রুটে ভারতীয় আকাশসীমা ব্যবহারের বিষয়ে নয়াদিল্লির অনুমতির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ভারতীয় মুখপাত্র জানান, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান বিমান পরিষেবা চুক্তির আওতায় এসব বিষয় নিষ্পত্তি করা হবে।
বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর সাম্প্রতিক হামলার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জয়সওয়াল বলেন, এ ধরনের ঘটনার একটি ধারাবাহিক প্রবণতা ভারত লক্ষ্য করছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, উগ্রবাদীদের দ্বারা সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনা উদ্বেগজনক এবং এসব সাম্প্রদায়িক সহিংসতা দ্রুত ও কঠোরভাবে মোকাবিলা করা জরুরি।
তিনি আরও বলেন, এসব ঘটনাকে অনেক সময় ব্যক্তিগত শত্রুতা, রাজনৈতিক বিরোধ কিংবা অন্যান্য বাহ্যিক কারণের সঙ্গে যুক্ত করে গুরুত্ব কমিয়ে দেখার প্রবণতা দেখা যায়, যা চরমপন্থীদের আরও উৎসাহিত করে এবং সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর মধ্যে ভয় ও নিরাপত্তাহীনতা বাড়িয়ে তোলে।
এছাড়া বাংলাদেশ ও মিয়ানমারে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণ ছাড়া অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচন কতটা অন্তর্ভুক্তিমূলক—এমন প্রশ্নের জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, নয়াদিল্লি এখনো অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে এবং এ বিষয়ে আহ্বান জানিয়ে যাচ্ছে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।