মার্কিন অবরোধে বিদ্যুৎহীন কিউবা: ট্রাম্প ও দিয়াজ-কানেলের মধ্যে স্নায়ুযুদ্ধ
- আপলোড সময় : ১৭-০২-২০২৬ ০৪:৩০:৩৫ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৭-০২-২০২৬ ০৪:৩০:৩৫ অপরাহ্ন
- ১ মিনিট পড়ার সময়
- ৫৪ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর তেল অবরোধের মুখে কিউবার বিশাল একটি অংশ বর্তমানে অন্ধকারে নিমজ্জিত। মার্কিন গণমাধ্যম ‘ব্লুমবার্গ’ (Bloomberg)-এর স্যাটেলাইট ডেটা বিশ্লেষণ অনুযায়ী, জ্বালানি সংকটে দেশটির বিদ্যুৎ ব্যবস্থা প্রায় ভেঙে পড়েছে। বর্তমানে ওয়াশিংটন ও হাভানার মধ্যে এক ধরনের ‘অপেক্ষার খেলা’ বা স্নায়ুযুদ্ধ চলছে, যেখানে মূল প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে—চরম সংকটের মুখে কে আগে নতি স্বীকার করবে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন মনে করছে, কিউবার বর্তমান সরকার রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত নড়বড়ে অবস্থায় রয়েছে। এই পতনকে ত্বরান্বিত করতে কিউবার ওপর সব ধরনের বিদেশি সহায়তা ও জ্বালানি আমদানির পথ রুদ্ধ করে দিয়েছেন ট্রাম্প। অন্যদিকে, কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ-কানেল যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে বসার আগ্রহ দেখালেও একটি কঠোর শর্ত জুড়ে দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, কিউবার অভ্যন্তরীণ একদলীয় শাসনব্যবস্থা নিয়ে কোনো ধরনের সমঝোতা বা আলোচনা করা হবে না।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে দেখা যায়, ১৯৯০-এর দশকে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পরও কিউবা চরম খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করে টিকে ছিল। তবে সে সময় কঠোর সাশ্রয়ী নীতির মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া গেলেও এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। তখনকার তুলনায় বর্তমান সংকট আরও গভীর হওয়ার প্রধান কারণ হলো—জ্বালানি আমদানির উৎসগুলো প্রায় সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়া। বিদ্যুৎ উৎপাদন সচল রাখার নূন্যতম জ্বালানিটুকু সংগ্রহ করতে না পারা কিউবার বর্তমান প্রশাসনের জন্য টিকে থাকার বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।