ইসরায়েলি সাইবার নজরদারি এবার গাড়িতে: আসছে ‘CARINT’ প্রযুক্তি
- আপলোড সময় : ১৭-০২-২০২৬ ০৪:৫৩:৪৮ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৭-০২-২০২৬ ০৪:৫৩:৪৮ অপরাহ্ন
- ১ মিনিট পড়ার সময়
- ৭২ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
ব্যক্তিগত স্মার্টফোনের পর এবার ব্যক্তিগত গাড়িকে গোয়েন্দা নজরদারির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের নতুন এক দিগন্ত উন্মোচন করেছে ইসরায়েলি কিছু সাইবার কোম্পানি। এই নতুন প্রযুক্তির নাম দেওয়া হয়েছে ‘CARINT’ বা ‘কার ইন্টেলিজেন্স’। সম্প্রতি ইসরায়েলের খ্যাতনামা সংবাদমাধ্যম ‘হারেৎস’ (Haaretz)-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবহারকারীর অজান্তেই তার বাহনটি এখন চলমান গোয়েন্দা ডিভাইসে পরিণত হতে পারে।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পদ্ধতিটি মূলত সমন্বিত তথ্য বিশ্লেষণের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে। সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলো গাড়ির অবস্থান সরাসরি ট্র্যাক করার পাশাপাশি গাড়িতে থাকা সিম কার্ড, জিপিএস সিস্টেম এবং রাস্তার সিসিটিভি ক্যামেরার তথ্যগুলোকে একীভূত করে নির্দিষ্ট ব্যক্তির অবস্থান নিখুঁতভাবে শনাক্ত করতে পারে। এতে করে যে কেউ কোথায় যাচ্ছেন বা কার সাথে দেখা করছেন, তা সহজেই নজরদারির আওতায় চলে আসছে।
অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, আধুনিক প্রযুক্তির কিছু গাড়িতে থাকা মাল্টিমিডিয়া সিস্টেম হ্যাক করার সক্ষমতাও রয়েছে এই নজরদারি ব্যবস্থার। এর ফলে অত্যন্ত গোপনীয়ভাবে গাড়ির ভেতরের মাইক্রোফোন ও ক্যামেরার অ্যাক্সেস নিয়ে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত কথোপকথন ও কার্যক্রমের রেকর্ড সংগ্রহ করা সম্ভব। মূলত রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বা বিশেষ গোয়েন্দা অভিযানের দোহাই দিয়ে এই প্রযুক্তি বাজারজাত করা হলেও, এটি ব্যক্তিগত গোপনীয়তার (Privacy) জন্য বড় ধরনের হুমকি হিসেবে দেখছেন মানবাধিকার কর্মীরা।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।