ট্রাম্পের দাবি নাকচ ইরানের, বিশ্ববাজারে ফের অস্থির তেলের দাম
- আপলোড সময় : ২৪-০৩-২০২৬ ০১:৪৫:২৮ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৪-০৩-২০২৬ ০১:৪৮:৩৯ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৭৩ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আলোচনার দাবি ইরান সরাসরি প্রত্যাখ্যান করার পর বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের মূল্যে ফের ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে। পারস্য উপসাগরে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আমেরিকার সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি বলে তেহরান সাফ জানিয়ে দেওয়ার পরপরই সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। এর ফলে মঙ্গলবার লেনদেনের শুরুতেই আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন ডব্লিউটিআই (WTI) উভয়ের দামই উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১.০৬ ডলার বা ১.১ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০১ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একইভাবে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ১.৫৮ ডলার বা ১.৮ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮৯.৭১ ডলারে কেনাবেচা হচ্ছে। অথচ মাত্র একদিন আগে সোমবার ট্রাম্পের ইতিবাচক বার্তার জেরে তেলের দাম প্রায় ১০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছিল। ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা পাঁচ দিন স্থগিত রাখা হয়েছে এবং অজ্ঞাতপরিচয় ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে 'ফলপ্রসূ' আলোচনার মাধ্যমে দুই দেশ ঐকমত্যে পৌঁছেছে। তবে তেহরান এই দাবিকে 'আর্থিক বাজারকে প্রভাবিত করার কৌশল' এবং 'সেকেলে মনস্তাত্ত্বিক লড়াই' বলে অভিহিত করেছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ তেল ও এলএনজি সরবরাহ থমকে থাকায় বাজার এখনো চরম ঝুঁকিপূর্ণ। যদিও ওয়াশিংটন সাময়িকভাবে রুশ ও ইরানি তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছে, তবে আইআরজিসি (IRGC) মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে নতুন করে হামলার দাবি করায় উত্তেজনা কমেনি। রণক্ষেত্রের পরিস্থিতি বলছে, ইসরায়েলি ও মার্কিন হামলায় ইরানের ইসফাহান ও খোররমশাহরের জ্বালানি অবকাঠামো ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এমতাবস্থায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (IEA) পরিস্থিতি সামাল দিতে জরুরি মজুত থেকে তেল ছাড়ার বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছে। বিশ্লেষক সংস্থা ম্যাকোয়ারি সতর্ক করেছে যে, এপ্রিল পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকলে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ ডলারেও পৌঁছে যেতে পারে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।