ঢাকা , সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬ , ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) , ২৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
রমজানে নিত্যপণ্যের এলসি খোলা সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক নির্ভরযোগ্য তথ্য নিশ্চিতে পরিসংখ্যান ব্যবস্থায় সংস্কার বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্র হতে দেওয়া যাবে না: প্রধানমন্ত্রী তাহসিফের মৃত্যুতে রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিলেন দিশা অতিরিক্ত বল প্রয়োগ না করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারালো ট্রাম্পের রিপাবলিকান নিরাপত্তার কারণে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের প্রদর্শনী স্থগিত ২০২৬ সালে গতি পেয়েছে কোয়াড, এগিয়েছে তিন দেশের বৈঠক ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বেড়ে ২ হাজার ৬০ টাকা ২০২৭ সালে সরকারি ছুটি ২৯ দিন, সাধারণ ছুটি ১৫ দিন ছাদে সোলার প্যানেল বসালেই মিলবে কর ছাড় হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও ছড়ানোয় তাহসিফকে হত্যার সন্দেহ লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন আবেদন ফের নাকচ কর্মকর্তাদের গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দ কমাল ডিএসসিসি বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম ২৩ শতাংশ বাড়ার পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকের তুরাগ নদে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফের লাশ উদ্ধার কুষ্টিয়ায় ছয় হত্যা মামলায় হানিফের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড ৪৬ বছর পর ফিরছে গ্রাম সরকার, থাকছে ১৭ সদস্য

২০২৯ সালের মধ্যে তাইওয়ানের জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ছাড়াবে ১ হাজার ৮০০, চিন্তায় বেইজিং

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ০৫-০৬-২০২৬ ১২:১৪:১১ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৫-০৬-২০২৬ ১২:১৪:১১ অপরাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ১১২ বার পঠিত
২০২৯ সালের মধ্যে তাইওয়ানের জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ছাড়াবে ১ হাজার ৮০০, চিন্তায় বেইজিং সংগৃহীত ছবি
 

চীনের সম্ভাব্য সামরিক আগ্রাসন বা অবরোধ মোকাবিলায় দ্রুত গতিতে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াচ্ছে তাইওয়ান। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৯ সালের শুরুর দিকে দেশটির জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের মোট সংখ্যা ১ হাজার ৮০০ ছাড়িয়ে যাবে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই বিপুল অস্ত্রভান্ডার তাইওয়ান প্রণালিতে চীনা নৌবহরের জন্য একটি ভয়ংকর 'কিল জোন' তৈরি করতে সক্ষম হবে।
 

তাইওয়ান বর্তমানে 'অসমমিত প্রতিরক্ষা কৌশল' অনুসরণ করছে, যেখানে চীনের বিশাল সামরিক শক্তির বিপরীতে তুলনামূলক কম খরচের কিন্তু অত্যন্ত কার্যকর অস্ত্রের সংখ্যা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি স্বল্প-পাল্লার অস্ত্র এবং আকাশ ও সমুদ্রভিত্তিক ড্রোনও এই পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত। ইউক্রেন ও ইরানের সংঘাত থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহারের বাস্তব অভিজ্ঞতাও কাজে লাগাচ্ছে তাইওয়ান।
 

সংখ্যার দিক থেকে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বর্তমানে তাইওয়ানের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি ৪৫০টি হারপুন ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। ২০২০ সালে অনুমোদিত ২.৪ বিলিয়ন ডলারের চুক্তির আওতায় আরও ৪০০টি হারপুন ২০২৯ সালের মার্চের মধ্যে সরবরাহ পাওয়ার কথা, যাতে হারপুনের মোট সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় ৮৫০টি। এর সঙ্গে দেশীয়ভাবে তৈরি হসিয়ুং ফেং-২ ও হসিয়ুং ফেং-৩ ক্ষেপণাস্ত্র মিলিয়ে মোট সংখ্যা প্রায় ১ হাজার ৮৫০-এ পৌঁছানোর প্রত্যাশা রয়েছে।
 

তাইওয়ানের শীর্ষ সামরিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানের উপপ্রধান ও সি-ফু স্পষ্ট করে বলেছেন, লক্ষ্য প্রতিটি চীনা যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস করা নয়, বরং চীনের অবতরণ ও সামরিক অভিযান যেন সফল না হয় তা নিশ্চিত করা। যুক্তরাষ্ট্রের অবসরপ্রাপ্ত মেরিন কর্নেল ও বিশ্লেষক গ্রান্ট নিউশামও মনে করেন, দূরপাল্লার নির্ভুল জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র চীনের সম্ভাব্য আগ্রাসনের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।
 

তবে সব কিছু নির্ভর করছে যুক্তরাষ্ট্রের সরবরাহ নির্ধারিত সময়ে সম্পন্ন হওয়ার ওপর। উৎপাদন জটিলতা দেখা দিলে সময়সীমা ২০৩০ পর্যন্ত গড়াতে পারে বলে একজন তাইওয়ানি কর্মকর্তা জানিয়েছেন। এ ছাড়া তাইওয়ান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ১৪ বিলিয়ন ডলারের নতুন অস্ত্র প্যাকেজ অনুমোদনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, যদিও বিষয়টি নিয়ে ট্রাম্প-শি আলোচনায় জটিলতা তৈরি হয়েছে। চীন তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ড দাবি করলেও তাইওয়ান সেই দাবি সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, দ্বীপটির ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার শুধুমাত্র তাইওয়ানের জনগণেরই।


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৪

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।