জুলাই শহীদদের স্মরণে জাতীয় সম্মেলন, প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি
- আপলোড সময় : ০৪-০৭-২০২৬ ১১:৩৪:১২ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৪-০৭-২০২৬ ১১:৩৪:১২ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১০২ বার পঠিত
সংগৃহীত ছবি
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে রাজধানী ঢাকায় ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলন’ অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে তাদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। শনিবার (৪ জুলাই) আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এই স্মরণসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সকাল প্রায় সোয়া ১০টার দিকে শুরু হওয়া এই আয়োজনে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সংসদের প্রধান হুইপ নুরুল ইসলাম মনির। অনুষ্ঠানে জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন। শুরুতে শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, রক্তক্ষয়ী জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্মরণ এবং তাদের অবদানের প্রতি সম্মান জানাতেই এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। মঞ্চের ব্যানারে শহীদদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করে অনুপ্রেরণামূলক বার্তা তুলে ধরা হয়।
এই স্মরণসভায় মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, কূটনীতিক, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন, যা আয়োজনটিকে একটি বৃহৎ জাতীয় পরিসরে পরিণত করে।
অনুষ্ঠানে জুলাই অভ্যুত্থানের পটভূমিও তুলে ধরা হয়। ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ধীরে ধীরে সরকারবিরোধী গণআন্দোলনে রূপ নেয়। প্রায় ৩৬ দিনব্যাপী এই আন্দোলনের মুখে তৎকালীন সরকার পতন ঘটে এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশত্যাগ করেন।
আন্দোলন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর দমনপীড়নের অভিযোগ ওঠে, যার মধ্যে গুলি, টিয়ারশেল এবং ইন্টারনেট বন্ধ রাখার ঘটনাও ছিল। ১৬ জুলাই রংপুরে শিক্ষার্থী আবু সাঈদের মৃত্যুর পর আন্দোলন আরও তীব্র আকার ধারণ করে এবং তা দেশব্যাপী বিস্তৃত হয়।
সরকারি গেজেট অনুযায়ী, এই অভ্যুত্থানে নিহতের সংখ্যা ৮৩৪ জন। তবে জাতিসংঘের একটি প্রতিবেদনে ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্টের মধ্যে মৃত্যুর সংখ্যা ১,৪০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।