‘হুমকি দিলে আলোচনা নয়’, ট্রাম্পের ‘১ ঘণ্টায় ধ্বংসের’ হুঁশিয়ারির কড়া জবাব দিল ইরান
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ০৮-০৭-২০২৬ ০৩:০৬:২৮ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৮-০৭-২০২৬ ০৩:০৬:২৮ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৭৩ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তি নিয়ে সৃষ্ট উত্তেজনার মাঝে ওয়াশিংটনকে কঠোর বার্তা দিয়েছে ইরান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘উসকানিমূলক’ বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, হুমকি অব্যাহত থাকলে কোনো আলোচনা সম্ভব নয়। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ইরানের আধাসরকারি সংবাদমাধ্যম মেহের নিউজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১৭ জুন উভয় দেশের মধ্যে একটি প্রাথমিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল। যার শর্ত অনুযায়ী, ৬০ দিনের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর কথা। কিন্তু সাম্প্রতিক মার্কিন হুমকির মুখে সেই সম্ভাবনা এখন ভেস্তে যাওয়ার পথে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ওয়াশিংটনকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “আপনারা নিজেদের স্বাক্ষরের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করুন।” তিনি সমঝোতা স্মারকের ১৩ নম্বর অনুচ্ছেদের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে জানান, হুমকি দিয়ে ইরানকে আলোচনার টেবিলে আনা যাবে না। সদ্য প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় লাখো মানুষের উপস্থিতি প্রমাণ করে যে, ইরানি জনগণ ও সশস্ত্র বাহিনী কোনো চাপের কাছে মাথা নত করবে না।
এর আগে গত সোমবার (৬ জুলাই) ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে চরম আক্রমণাত্মক মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র হয় ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছাবে, অথবা তাদের শেষ করে দেবে।” ট্রাম্প আরও হুঁশিয়ারি দেন যে, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যে ইরানের সমস্ত সেতু ধ্বংস করে দিতে পারে এবং তাদের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা অচল করে দিতে পারে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১৭ জুন উভয় দেশের মধ্যে একটি প্রাথমিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল। যার শর্ত অনুযায়ী, ৬০ দিনের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর কথা। কিন্তু সাম্প্রতিক মার্কিন হুমকির মুখে সেই সম্ভাবনা এখন ভেস্তে যাওয়ার পথে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ওয়াশিংটনকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “আপনারা নিজেদের স্বাক্ষরের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করুন।” তিনি সমঝোতা স্মারকের ১৩ নম্বর অনুচ্ছেদের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে জানান, হুমকি দিয়ে ইরানকে আলোচনার টেবিলে আনা যাবে না। সদ্য প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় লাখো মানুষের উপস্থিতি প্রমাণ করে যে, ইরানি জনগণ ও সশস্ত্র বাহিনী কোনো চাপের কাছে মাথা নত করবে না।
এর আগে গত সোমবার (৬ জুলাই) ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে চরম আক্রমণাত্মক মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র হয় ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছাবে, অথবা তাদের শেষ করে দেবে।” ট্রাম্প আরও হুঁশিয়ারি দেন যে, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যে ইরানের সমস্ত সেতু ধ্বংস করে দিতে পারে এবং তাদের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা অচল করে দিতে পারে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।