ড্রেন খুঁড়তে গিয়ে বেলজিয়ামে শিক্ষার্থী পেলেন ১৩২ কোটি টাকার গুপ্তধন!
পুরনো বিয়ার কারখানার মাটির নিচের দেয়ালে লুকিয়ে রাখা ছিল স্বর্ণের ব্যাগ; উৎস ও আইনগত মালিকানা নির্ধারণে তদন্তে প্রশাসন
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১৭-০৮-২০২৬ ১০:৪৭:১৪ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৭-০৮-২০২৬ ১০:৪৭:১৪ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১২২ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
ড্রেন খনন করতে গিয়ে শতকোটি টাকার ‘গুপ্তধন’ খুঁজে পেয়েছেন ১৮ বছরের এক শিক্ষার্থী। গুপ্তধনের স্বর্ণের বারের সঙ্গে পাওয়া গেছে স্বর্ণের কয়েন ও ছোট দানা। এগুলো একটি ব্যাগের মধ্যে রাখা ছিল, যা একটি ইট দিয়ে বন্ধ করা ভূগর্ভস্থ কক্ষের দেয়ালের ভেতরে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।
বেলজিয়ামের ব্রাসেলস থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে সেন্ট-গিলিস-ডেন্ডারমন্ডে ভূগর্ভস্থ পাইপ প্রতিস্থাপনের নিয়মিত কাজের সময় এই গুপ্তধন আবিষ্কার হয় বলে জানিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান। মঙ্গলবার ওই গুপ্তধন খুঁজে পান কোবে নামের এক শিক্ষার্থী।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ভিটিএম-কে তিনি বলেন, আমরা হঠাৎ সেখানে কিছু একটা পড়ে থাকতে দেখলাম। প্রথমে আমি ভেবেছিলাম এগুলো ১ ইউরোর কয়েন। এরপর আমরা একটি স্বর্ণের বার দেখতে পেলাম। পরে বুঝলাম, ব্যাপারটা আমরা যতটা ভেবেছিলাম তার চেয়ে অনেক বড়।
খুঁজে পাওয়া গুপ্তধনের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৯ মিলিয়ন ইউরো বা প্রায় ১৩২ কোটি ৮৩ লাখ ২০ হাজার টাকা। যে দেয়ালে ওই গুপ্তধন লুকিয়ে রাখা ছিল, সেটি ১৯ শতকের শেষ দিকে নির্মাণ করা হয়।
গুপ্তধন খুঁজে পাওয়া স্থানটিতে ১৮৯৯ সালে বিয়ার উৎপাদন শুরু হয় এবং ১৯৭০ সালে তা বন্ধ হয়ে যায়। ঐতিহাসিকভাবে তালিকাভুক্ত সম্পত্তিটির লোহার তৈরি প্রবেশদ্বারে এখনও ‘ভিএ’ আদ্যক্ষর দেখা যায়। বর্তমানে সামাজিক কল্যাণ সংস্থা ক ওস্ট-ভ্লানদারেন ভবনটি সম্পূর্ণ সংস্কার করছে, যাতে সেখানে নতুন অফিস ও আবাসন তৈরি করা যায়।
এদিকে স্বর্ণ পাওয়ার খবরে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সেগুলো ব্রাসেলসের একটি সুরক্ষিত স্থাপনায় নিয়ে যায় কর্তৃপক্ষ। এখন কর্মকর্তারা ভাণ্ডারটির উৎস সম্পর্কে তদন্ত করছেন, যাতে এর আইনগত মালিকানা কার তা নির্ধারণ করা যায়।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
বেলজিয়ামের ব্রাসেলস থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে সেন্ট-গিলিস-ডেন্ডারমন্ডে ভূগর্ভস্থ পাইপ প্রতিস্থাপনের নিয়মিত কাজের সময় এই গুপ্তধন আবিষ্কার হয় বলে জানিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান। মঙ্গলবার ওই গুপ্তধন খুঁজে পান কোবে নামের এক শিক্ষার্থী।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ভিটিএম-কে তিনি বলেন, আমরা হঠাৎ সেখানে কিছু একটা পড়ে থাকতে দেখলাম। প্রথমে আমি ভেবেছিলাম এগুলো ১ ইউরোর কয়েন। এরপর আমরা একটি স্বর্ণের বার দেখতে পেলাম। পরে বুঝলাম, ব্যাপারটা আমরা যতটা ভেবেছিলাম তার চেয়ে অনেক বড়।
খুঁজে পাওয়া গুপ্তধনের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৯ মিলিয়ন ইউরো বা প্রায় ১৩২ কোটি ৮৩ লাখ ২০ হাজার টাকা। যে দেয়ালে ওই গুপ্তধন লুকিয়ে রাখা ছিল, সেটি ১৯ শতকের শেষ দিকে নির্মাণ করা হয়।
গুপ্তধন খুঁজে পাওয়া স্থানটিতে ১৮৯৯ সালে বিয়ার উৎপাদন শুরু হয় এবং ১৯৭০ সালে তা বন্ধ হয়ে যায়। ঐতিহাসিকভাবে তালিকাভুক্ত সম্পত্তিটির লোহার তৈরি প্রবেশদ্বারে এখনও ‘ভিএ’ আদ্যক্ষর দেখা যায়। বর্তমানে সামাজিক কল্যাণ সংস্থা ক ওস্ট-ভ্লানদারেন ভবনটি সম্পূর্ণ সংস্কার করছে, যাতে সেখানে নতুন অফিস ও আবাসন তৈরি করা যায়।
এদিকে স্বর্ণ পাওয়ার খবরে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সেগুলো ব্রাসেলসের একটি সুরক্ষিত স্থাপনায় নিয়ে যায় কর্তৃপক্ষ। এখন কর্মকর্তারা ভাণ্ডারটির উৎস সম্পর্কে তদন্ত করছেন, যাতে এর আইনগত মালিকানা কার তা নির্ধারণ করা যায়।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।